এসবিডিনিউজ : নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের জেলা প্রশাসক ডিসি সারোয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহারের আদেশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা, নেটিজেনদের নানা মন্তব্যে সয়লাব স্যোসাল মিডিয়া। কেউ কেউ মনে করছেন,সম্প্রতি শাহজালালের মাজারে হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে পুরনো ডেগসি সিলগালা করে নতুন দানবাক্স বসানো নিয়ে কেন্দ্র করে আলোচনার জেরেই এমনটা হয়েছে,আবার অনেকে ভিন্নমত পোষণ করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন,
তাহলে আসল সত্যতা কি? প্রত্যাহারে ধরণ পর্যালোচনা করলে স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় বা প্রতীয়মান হচ্ছে,এটি কোন স্বাভাবিক বদলি নয়,প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।এমনটা ঘটে সাধারণত বিশেষ ক্ষেত্র বা কোন আলোচনা বা সমালোচনা ও বিতর্কের ক্ষেত্রে।কিন্তু আদেশে প্রত্যাহারে সুস্পষ্ট কোন কারণ ব্যাখ্যা না করায়,মূলত এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে,তবে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অবিলম্বে জনস্বার্থে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে উল্লেখ রয়েছে।
তবে এসবিডিনিউজ এর অনুসন্ধানে জানা যায় ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তৃনমুলের নেতৃবৃন্দের কিছুটা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ডিসি সারোয়ার আলম,তাঁকে কোন বিশেষ দলের লোকজনকে বেশি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার ও অভিযোগ উঠেছে এবং ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে,তবে এসব অভিযোগের কোন প্রমাণ নেই কারো হাতে,
গত কয়েকদিন থেকেই পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে,তাঁর প্রত্যাহারের আদেশের পরপরই সিলেটে বিষয়টি নিয়ে তূমুল বিতর্ক চলছে,আজ বিকালে তাঁকে পূর্ণবহালের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে,এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করছেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে মূলত হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.) মাজারের তহবিল ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্যোগের জেরে উদ্ভূত বিতর্ক ও সমালোচনার কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে,
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না করা হলেও, এই প্রত্যাহারের পেছনের কারণ ও প্রেক্ষাপটগুলো নিচে দেওয়া হলো-
মাজার নিয়ন্ত্রণ বিতর্ক-মাজারের অর্থ ও তহবিল ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কারণে মাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে অসন্তোষ ও বিতর্ক তৈরি হয়।১২ জুন মাজার পরিদর্শনে যাওয়ার পর বিষয়টি আরও জোরালো হয় এবং পরবর্তীতে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়।
জনস্বার্থে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রত্যাহার করা হয় এবং তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়।