নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ -জকিগঞ্জ থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা : জকিগঞ্জ উপজেলার ৯ নং মানিকপুর ইউনিয়নের পূর্ব মানিকপুর গ্রামের বাসিন্দা নোমান উদ্দিন (যিনি প্রায় ৩০ বছর সৌদি আরবে কাটিয়ে ২০২১ সালে দেশে ফেরেন) ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে নিজের মুদি দোকানে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। ১ অক্টোবর বিকেলে কালনীগঞ্জ বাজারের কাছে শায়লা স্মৃতি হাসপাতালের পেছনের একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর ম’র’দে’হ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই ঘটনাটি মূলত একটি পরিকল্পিত হ*ত্যা*কা*ন্ড বলে অভিযোগ তোলা হয়। বিষয়টি বিভিন্নভাবে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয় গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করছেন। মামলাটি বর্তমানে অধিকতর তদন্ত চলছে,সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মামলাটি নিয়ে এখন গভীর তদন্ত চলছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে,যে কোন সময় সিআইডির ঝালে ধরা পড়তে পারেন আসল অপরাধীরা।
নুমান উদ্দিন ঘটনার দিন সকালে নিজ দোকান থেকে বের হওয়ার সময়,ব্যবহৃত মোবাইলটি অন্য একজনের কাছে রেখে যান,দোকান থেকে বের হয়ে কোন দিগে বের হয়েছেন,পারষ্পরিক বক্তব্যে অমিল,বাজারের একজন ব্যবসায়ী হিসেবে দায়িত্বশীলদের ভূমিকা,পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও মামলার রহস্য,সাক্ষী,দোকান থেকে বিস্কুট চুরি নিয়ে মনোমালিন্য,সকালের ফোনকল,এই বিষয়গুলো নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলছে।
প্রত্যেকটি বিষয়কে সামনে নিয়ে তদন্ত কাজ চলছে বলে জানা যায়,শায়লাকে ঘিরে ও সন্দেহের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে কেয়ারটেকার বক্তব্যে গরমিল পাওয়া যাচ্ছে বলে একটু সূত্র জানিয়েছে,নুমান উদ্দিনের মেয়ে ও একটি মামলার বাদি মুন্নি আক্তার দাবি করেন,বিবাদীরা আমার বাবাকে অত্যন্ত সুকৌশলে ও পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খু*ন করে লা*শ গুমের চেষ্টা করে।
মেয়ে হিসেব বাবা হ*ত্যা*র সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।তিনি আরো জানান আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন,আমাদের যে কোন সময় যে কোন ধরণের ক্ষয়ক্ষতি বা দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে এরা।তারা আমাদের পরিবারে কোন পুরুষ অভিভাবক সহ্য করতে পারেনা।যেহুতু বিষয়টি নিয়ে সিআইডি তদন্ত করছে,সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু মুখ বুঝে সহ্য করছি,সময় হলে সবকিছু জনসম্মুখে প্রকাশ করবো।আমরা সকলের সহযোগিতা চাই,তারা এখনো আমাদের পিছনে রয়েছে আমাদের পরিবারের আর কোন ক্ষতি হলে এ দ্বায় ও তাদের।
মুন্নি আক্তারের মামলায় থাকা আসামিরা তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যাপক জেরার মুখে।অনেকেই তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মিডিয়াকে কৌশলে এড়িয়ে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে,কেন অপরাধী না হলে এমন করেন এই বিষয়ে জানা যায়নি,