এসবিডিনিউজ : নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের জকিগঞ্জের মাহবুব সারোয়ার রাজন ঢাকা থেকে একটি চাকুরির পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন।তিনি রাতে ট্রেনে উঠার কিছুক্ষণের মধ্যে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ধারনা করা হচ্ছে,ট্রেনে উঠার পরপরই হয়ত কোন খপ্পর পার্টি বা মলম পার্টির চক্করে পড়তে পারেন,এরা কৌশলে খাবারের সাথে বা নাকে কোন বিষক্রিয়ার ঘ্রাণ দিয়ে নিস্তেজ বা অচেতন করে ফেলে।পরে সুযোগ বুঝে নামিয়ে হ*ত্যা করে ফেলে দেয় বা বিষক্রিয়ায় ও মৃ*ত্যু হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও রেলওয়ে পুলিশ তদন্ত করছে,তদন্ত শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সুনিদ্রিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
ইতিমধ্যে রাজনের ম’র’দে’হ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের দাসপাড়া এলাকায় তার ম-র-দে-হ পাওয়া যায়।
বর্তমানে ম-র-দে-হ-টি শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে (জিআরপিতে) রাখা হয়েছে।পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।
নি*হ*ত রাজন জকিগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। তার বড় ভাই মুন্না বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মরত। তিনি বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জে অবস্থান করছেন এবং মরদেহ গ্রহণের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
রাজনের মৃ*ত্যু*র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কীভাবে তার মৃ*ত্যু হয়েছে,সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও রেলওয়ে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
রাজন ঢাকা থেকে চাকুরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন এ সিলেট ফিরছিলো।পরীক্ষা শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না জকিগঞ্জের রাজনের,রেললাইনের পাশে মিলল তার লা*শ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত?
ঢাকা থেকে চাকরির পরীক্ষা শেষে সিলেট ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া মাহবুব সারওয়ার রাজন (২৫) রোববার (১২ জুলাই) হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে থানা পুলিশ তার লা*শ উদ্ধার করে। নি-হ-ত রাজন সিলেটের জকিগঞ্জ পৌর এলাকার গন্ধদত্ত গ্রামের বাসিন্দা বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজন একটি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষে গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাতে ঢাকা থেকে ট্রেনযোগে তিনি সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও তিনি বাড়ি না ফেরায় এবং তার সাথে থাকা মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবার চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
আজ রোববার সকাল থেকেই নিখোঁজ রাজনের সন্ধান চেয়ে তার ভাইয়েরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে ফেসবুকেরই একটি গ্রুপে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের লা*শে*র ছবি দেখতে পান তারা। ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন যে এটি নিখোঁজ রাজনেরই ম-র-দে-হ।
ফেসবুকের ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছিল, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায় রেললাইনের পাশে অজ্ঞাত অবস্থায় লা*শ*টি পড়েছিল এবং স্থানীয়রা পরিচয় নিশ্চিতের জন্য ছবি পোস্ট করে সবার সহযোগিতা চেয়েছিলেন।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজনের ম-র-দে-হ-টি উদ্ধার করে বর্তমানে রেলওয়ে থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। মৃ*ত্যু*র খবর পেয়ে নি-হ-তে-র পরিবারের সদস্যরা ইতিমধ্যেই শায়েস্তাগঞ্জে গিয়েছেন। তারা সেখানে পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে লা*শ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য মেলেনি। তবে স্থানীয় সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনে চলন্ত অবস্থায় তিনি ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির খপ্পরে পড়তে পারেন। ছিনতাইকারীরা সবকিছু লুটে নিয়ে তাকে ট্রেন থেকে নিচে ফেলে দিয়ে থাকতে পারে। রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃ*ত্যু*র প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তরুণ এই যুবকের এমন আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃ*ত্যু*তে জকিগঞ্জের গন্ধদত্ত গ্রামসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নি-হ-তে-র স্বজনরা।