ডেক্স রিপোর্ট : এসবিডিনিউজ – অবৈধ পথে স্বপ্নের দেশ ইউরোপ যেতে সিলেটির প্রতিযোগিতা পুরোনো।কেউ বা সফল হয়েছেন ইতিমধ্যে পাড়ি জমিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।অনেকে দালালের খপ্পরে পড়ে হারিয়েছেন সর্বস্ব।অনেকের লা-শ সাগরে ভেসে দেওয়া হয়েছে। কোন কোন সময় কাউকে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা আদায় সহ নানা অভিযোগ প্রায় শোনা যায়। এরপর থামছেনা ইউরোপ যাওয়ার প্রতিযোগিতা।বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছেনএ প্রতিযোগিতায় সিলেটিরা এগিয়ে।
অনেক পরিবারের ধারনা স্বপ্নের দেশ ইউরোপ গেলে পরিবার সুখী,ভাল পাত্রী বিয়ে করা,টাকা পয়সার অভাব নেই।কিন্তু মাঝে মধ্যে অনেক পরিবারে নেমে আসে শো’কে’র ছায়া গত কয়েকদিন থেকে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন পরিবারে চলছে শোকের মাতম,স্বজন হারনোর কান্নায় আকাশপাতাল ভারী হচ্ছে।
এসব বিষয় সামনে আসতে নেট দুনিয়ায় ও তূমুল আলোচনা সমালোচনা চলছে।অবৈধ পথের যাত্রী হিসেবে সরকারের কাছেও নেই সঠিক কোন তথ্য।আইনগত সুবিধা পেতে দেখা দিয়েছে নানা জটিলতা এরইমধ্যে সিলেটের দুই যুবককে ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে। বেশি টাকা লাভের আশায় ছোট নৌকায় তুলে দিয়ে তাদেরকে মৃ-ত্যু-র দিগে ঢেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদের মধ্যে সালেহ আহমেদ বাড়ি সুনামগঞ্জ এলাকায়
সিলেটের ১৮ জন যুবক মা*রা যাওয়ার জন্য এদেরকে দায়ী করা হচ্ছে
অভিযোগ উঠেছে লিবিয়া থেকে গ্রীস পৌঁছে দেবার জন্য সে প্রতি জনের কাছ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা কনট্রাকে চুক্তি করে। লিবিয়া থেকে গ্রীস যাওয়ার পথে খাদ্যের অভাবে, পানির তৃষ্ণায়, অনাহারে, সিলেটের ১৮ জন তরুণ তরতাজা যুবক মা/রা যান, পরবর্তীতে এরা সালেহ আহমদের নির্দেশেই গভীর সমুদ্রে তাদের সবাইকে ফেলে দেওয়া হয়। তাদের অন্তরে একটু’ও দয়া মায়া হয়নি বলে জানা গেছে
রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার নেশায় সব শর্ত উপেক্ষা করে এরা বড় নৌকার পরিবর্তে ছোট নৌকায় সবাইকে তুলে দেয়, নৌকায় থাকা সবাই প্রতিবাদ, কান্নাকাটি করলে-ও সে উল্টো মে*রে ফেলার হুমকি দিয়ে কথামতো নিরাপত্তার সরঞ্জাম না দিয়েই ছোট নৌকা’টি জোরপূর্বক সাগরে ভাসিয়ে দেয়।
স্বজনদের দাবি এরা টাকার জন্য সবকিছু করতে পারে, মানুষের জীবনের কোন মুূল্য নেই এদের কাছে। এদের মত লোভী মা’ন’বপা’চা’রকারী দা’লা’ল’দের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
এনাম তালুকদার,বাড়ী: সিলেট।যার খপ্পরে পড়ে ভূমধ্যসাগরে ম’র্মান্তিক মৃ”ত্যু হয় সিলেটের ১৮ জন যুবকের।যাদের মৃ*ত*দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয় সাগরে।
তার সাথে কনটাক্ট ছিলো সবাইকে লিবিয়া থেকে বড় নৌকায় তুলে দিয়ে সাগর পাড় করিয়ে গ্রীস পৌঁছে দিবে। কিন্তু সে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে, টাকা বাঁচানোর জন্য সবাইকে জোরপূর্বক ছোট নৌকায় তুলে দিয়ে নৌকা ভাসিয়ে দেয়। নিয়ম অনুযায়ী জিপিএস ট্রেকার ও লোকেশন ম্যাপ দেওয়ার কথা থাকলে-ও দেয়নি। কোনকিছুর তোয়াক্কা করেনি। তার এই অতি লোভের কারণে সিলেটের ১৮টি তরতাজা প্রাণ সমুদ্রের মধ্যে মা’রা গেলো।
ভুক্তভোগীদের দাবি এদের ধরিয়ে দিতে দেশে-প্রবাসে সবাই সহযোগিতা করুন।