নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ : এটিএম ফয়ছল : সিলেটের ফাহিমাকে ধ’র্ষ’ন ও হ-ত্যা-র পর রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শি-শু কন্যা রামিসা আক্তারকে হ-ত্যা করা হয়।এই মেয়েটির অপরাধ কি ছিল,এখনও তো তার সাথে কারো বি-বা-দ থাকার কথা নয়,বাঁচতে দিল না এক ন*র*প*শু!
সে নিজের ইচ্ছাতে এই পৃথিবীতে আসে নাই,স্বয়ং মহান আল্লাহ পাঠিয়েছেন,কন্যা সন্তান আল্লাহর বিশেষ রহমত ও জান্নাত স্বরূপ,ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কন্যা সন্তানকে মা-বাবার জন্য জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম বা রহমত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
হাদিসের ঘোষণা: মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির তিনটি অথবা দুইজন কন্যাসন্তান আছে এবং সে তাদের সঠিকভাবে লালন-পালন ও সুন্দর আচরণ করেছে, তবে তাদের কারণে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন।(সুবহানাল্লাহ)
বিনাদোষে বা অন্যায়ভাবে কাউকে হ*ত্যা করা একটি জ’ঘ’ন্য’ত’ম ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এটি কেবল রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শা-স্তি-যো-গ্য অপরাধ নয়,বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এটি সবচেয়ে বড় পা-প।ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কুরআনে মানব হ-ত্যা-র শা*স্তি বিনা অপরাধে একজন মানুষ হ*ত্যা করা মানে পুরো মানবজাতিকে হ*ত্যা*র সমতুল্য।
জাহেলি যুগে ইসলাম আসার আগে কন্যাসন্তানকে বোঝা বা অপয়া মনে করা হতো। ইসলাম এই কুসংস্কার ভেঙে কন্যাসন্তানকে মা-বাবার জন্য রহমত এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে রামিসা আক্তার (৮) নামের দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে নি’র্ম’ম’ভা’বে গলা কে*টে হ*ত্যা করা হয়েছে।
১৯ মে ২০২৬ তারিখে এই ম-র্মা-ন্তি-ক ঘটনাটি ঘটে।নিহত শি-শু রামিসা আক্তার,স্থানীয় একটি স্কুলের মেধাবী ছাত্রী। তার বাবার নাম আব্দুল হান্নান মোল্লা ঘটনাস্থল: পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের মিল্লাদ ক্যাম্প সংলগ্ন একটি বাসা।
মূল ঘটনা-সকালে নিজ বাসায় তাকে গ’লা কে*টে হ*ত্যা করা হয়। পরে তার দে*হ থেকে মা*থা বি*চ্ছি*ন্ন করে বাথরুমের শৌচাগারে ফেলে রাখা হয় এবং পরিবারের পক্ষ থেকে ধ*র্ষ*ণে*রও অভিযোগ তোলা হয়।ঘটনার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোহেল (৩২) নামের মূল সন্দেহভাজন এক ভাড়াটিয়াকে ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে।