এসবিডিনিউজ : নিজস্ব প্রতিবেদক : যারা আজকে প্রধানমন্ত্রীর ও তাঁর স্ত্রী’র প্রেম,ভালবাসা,দায়িত্ব,শ্রদ্ধাবোধ দেখে স্বামীকে খোচাও!
জেনো রেখো,১/১১ এর আমলে তৎকালীন পরিস্থিতি ও মিডিয়া যখন তারেক রহমানকে দেশের সবচেয়ে বড় ভিলেন বানিয়েছিল, লেখার অযোগ্য অপবাদ দিয়েছিল,নানা ষড়যন্ত্র চারপাশ ঘিরে রেখেছিল,বাকি ইতিহাস সকলের কমবেশি জানা,হয়ত তরুণ প্রজন্ম একটু কম জানতে পারে,তখন এই মহীয়সী উচ্চ শিক্ষিত ও উচ্চ অভিজাত ও ধনাঢ্য পরিবারের নারীটি তার স্বামীকে দুর্দিনে এড়িয়ে যায়নি,স্বামীর প্রতি রাগ অভিমান করেনি,ভুল ও বুঝেন নি। বরং সর্বস্ব দিয়ে স্বামীর পাশে দাড়িয়েছিলেন।
স্বামীর জন্য যখন বড় উকিল খুজে পাচ্ছিলেন না, তখন বাবার পরিবার- স্বামীর পরিবারের আভিজাত্য ও নিজের ব্যক্তিত্ব ভুলে ব্যারিষ্টার রফিকুল হকের চেম্বারে চোখের পানি ফেলেছেন, বসে থেকেছেন।বিদেশে চিকিৎসার কথা বলা হলে সরকার পক্ষ থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
তখন এই ডা.জোবায়দা রহমান স্বামীর অসহায় দশা দেখে অশ্রুসজল নয়নে ঘোষণা দিয়েছিলেন, “দরকার হয় আমার পৈতৃক সম্পত্তি বেচে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাবো। “জেল কিংবা জেল বন্দী অবস্থায় হাসপাতাল, থেকে প্রতিদিন উড়নায় মুখ চেপে ক্রন্দনরত অবস্থায় বের হতেন জোবায়দা রহমান।
এগুলো মিথ্যা নয়, এগুলো অনেক প্রত্যক্ষদর্শীর চোখের স্বাক্ষ্য।অথচ মিডিয়া,ও একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা এবং অকৃতজ্ঞ জাতির সবচেয়ে বড় ভিলেন তখন তারেক রহমান।
সবাই ছেড়ে গেলেও অন্তত একজন মানুষ সেদিন তারেক রহমানের পাশে আটার মত লেগে থাকতেন,কিভাবে কি করা যায় বা মুক্ত করা যায়,ভাল পরামর্শ দেওয়া যায় ও করণীয় কি তাঁর নাম ডা. জোবাইদা রহমান।তারেক রহমানের মত স্বামীর সম্মান, ভালোবাসা সেদিন অকুণ্ঠ রেখে চলেছেন।
জোবায়দার মত নি:স্বার্থ হয়ে দেখাও।
ভালবাসার জন্য কাঙাল হতে হবে না।স্বামীই ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবে তোমার ভুবন।