নিজস্ব প্রতিবেদক : কানাইঘাটে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ব্যারিষ্টার আবির আহমদ এর পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে যুক্তরাজ্যে যুব সংগঠক,সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমান যুবলীগ নেতা ব্যারিষ্টার আবির আহমদ এর পক্ষ থেকে সিলেটের কানাইঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দ এক ইফতার মাহফিল ও মোনাজাতের আয়োজন করে।
১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর ডাকনাম ছিল ‘খোকা’। তিনি ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির ‘মুজিব ভাই’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’।
শেখ মুজিবুর রহমান কিশোর বয়সেই সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে তিনি প্রথমবার কারাবরণ করেন। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব ছিলেন তরুণ ছাত্রনেতা। পরে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হন।
১৯৬৬–এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানিরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসে ১২ জানুয়ারি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বি’প’থ’গা’মী সেনা কর্মকর্তার হাতে সপরিবার নিহত হন তিনি।
দুঃসময়ে মানুষের আসল পরিচয় প্রকাশ পায়, আরও স্পষ্ট হয়। আজ যখন সারাদেশে ম’ব হামলা, গ্রেফতার আর নির্যাতনের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা, তখনও তারা থেমে থাকেনি..বরং শত বাধা, ভয় আর বিপদের আশঙ্কাকে উপেক্ষা করে গরীব অসহায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এটাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, এটাই গণমানুষের দল। কারণ এই দলের নেতা-কর্মীরা সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে থাকে দুঃখে, কষ্টে, সংকটে।নেতৃবৃন্দরা বরাবরের মত আবারও সেটাই প্রমাণ করলেন কাজের মাধ্যমে।
পুরো রোজার মাসজুড়ে ইফতার বিতরণ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে ঈদের উপহার পৌঁছে দেওয়া এসব শুধু কার্যক্রম নয়, এটা দায়িত্ববোধ, এটা মানুষের প্রতি ভালোবাসার বাস্তব প্রকাশ।
অসহায় সাধারণ মানুষ যখনই কোন বিপদে পরেছে তখন নেতৃবৃন্দরা মানুষের ভরসা হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতো প্রতিকূল মুহূর্তেও এই সাহস, এই মানবিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
ব্যারিষ্টার আবির আহমদ সকল নেতা-কর্মীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন আপনারা আছেন বলেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের ভরসার আশ্রয়স্থল, গণমানুষের দল হিসেবে টিকে আছে, টিকে থাকবে।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু