নিজস্ব প্রতিবেদক : ডেক্স রিপোর্ট – এসবিডিনিউজ : রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে বসবাস করতেন রামিসার পরিবার,স্কুলে যাওয়া আসার পথে কু’দৃ’ষ্টি পড়ে বিকৃত যৌ-না-চা+রে আসক্ত জাকির হোসেন উরফে সোহেল রানার,একপর্যায়ে রামিসার বাসার খোঁজ নিয়ে সুযোগ মাস দুয়েক আগে পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়ায় উঠে এই বখাটে লম্পট।
সুযোগের অপেক্ষায় থাকা জাকির হঠাৎ রামিসা দেখতে পায় নিচে যাচ্ছে তখনি ঝাপটে ধরে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায় ঘরের ভিতর।এরপর রামিসার কালো অধ্যায় শুরু, শি-শু-টি-র এখন এসব বুঝে উঠার বয়স হয়নি বুঝতেই পারেনি এসব তার সাথে কি হচ্ছে,তারপর অবুঝ শি-শু-র অবুঝ মন কান্নাকাটি শুরু করে,আমাকে ঘরে যেতে দিন আমার মায়ের কাছে যাবো,কিন্তু মন গলে এই ন-র-প-শু-র।
রামিসা পা-য়ু-প-থে রেইপ করা হয়েছে,এত নি-র্যা-ত-ন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধ-র্ষ-ক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধ-র্ষ-ক দম্পতির আবার সন্তানও আছে।
জাকির হোসেন সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন,‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন।
সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধ-র্ষ-ণ করা হয়।একপর্যায়ে শি-শু-টি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হ-ত্যা করা হয়।’
রামিসাকে হ-ত্যা-র পর দেহ টু-ক-রো করে ম-র-দে-হ গু-ম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।প্রায় ৩০ মিনিট সময় পরে দরজা ভাঙতে সক্ষম হন বলে জানান রামিসার বাবা।
বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন।স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দে-হ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন।
একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক হওয়ার মত বিষয়।
ম-র-দে-হ গু-মে-র উদ্দেশ্যে ধা-রা-লো অ-স্ত্র দিয়ে শি-শু-টি-র মা-থা শ-রী-র থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌ*না*ঙ্গ ক্ষ-ত-বি-ক্ষ-ত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে ম-র-দে-হ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মা-থা বালতির মধ্যে রাখা হয়।
এই ঘটনার নৃ-শং’স’তা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল।
পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে বিশ্বাস করবেন না রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে বিশ্বাস করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে।
আমরা এমন একটা যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন,কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে।