নিজস্ব প্রতিবেদক – এসবিডিনিউজ : এটি এম ফয়ছল সিলেটের ফাহিমাকে ধ’র্ষ’নে’র পর হ*ত্যা*র রে’শ শেষ না হতেই আরেক ১৬ পারা মুখস্থ ১১ বছরের কোরআনে হাফিজের শিক্ষার্থীর সাথে যা ঘটলো,!
চাচার কাছে ভাতিজি নিরাপদ নয়,,সোনাতলার ফাহিমা (০৪),গৃহ শিক্ষকের কাছে,শি*শু ছাত্রী নিরাপদ নয়, কানাইঘাটের মুনতাহা (৫) মায়ের কাছে স’ন্তা’ন নি’রা’প’দ নয়,তাসকিন আহমদ মিজান (১১)
ঘটনার শুরু প্রায় ১০ মাস আগে,মিজানের মায়ের সাথে পরিচয় হয়,কাটমোল্লা ফায়সাল আহমদ কামরানের,সে একজন চতুর এবং লেবাসদ্বারী ভ-ন্ড,প্রতারক লোভী প্রকৃতির লোক বটে,দোয়াতি মোল্লাকি করলে ও একেক সময় একেক পরিচয় দেয়,মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচয় দিলেও রমজানের দারুল ক্বিরাতের শিক্ষার্থীদের পড়ানো ছাড়া আর কোন দায়িত্বের তথ্য পাওয়া যায়নি তাও ইলিম ও আমল ছাড়া,একাডেমিক কি সার্টিফিকেট রয়েছে এ বিষয় বিস্তারিত জানা যায়নি।যেখানে শিক্ষকতা করছে মেয়েদের সাথে নোংরামির অভিযোগ রয়েছে,একাধিক বিয়ে,পরকিয়া সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সাথে যু-ক্ত হয়ে ধরা পড়লে ও আলেম পরিচয়ে মানুষের সরলতা সুযোগের পার পেয়ে যেত,কিন্তু এবার জনমের ধরা খেল
বাসা ভাড়া নেয় সিলেটের খাদিমনগরের পরিচিত একটি টাওয়ারে,মহিলারা এসব ভ-ন্ড কাটমোল্লাদের ফাঁদে পড়ে বারবার প্রতারিত হলে এসব মহিলাদের হু-শ হয় না,বস করে নেন ভিক্টিমের মা,নাছিমা বেগম,৩০,খালা হান্না বেগম (২৪) ও মাসুমা (২২) আরেক খালার কিশোরী মেয়ে ফারিহা (১৩) ভিক্টিমের বোন মাসরুরা (৯) এবং ভিক্টিম তাহসিন আহমদ মিজান (১১) এই বাসায় বসবাস করেন খালা হান্নার সাথে গভীর সখ্যতা রয়েছে বলে জানায় শিক্ষার্থী মিজান।কাটমোল্লার কথায় মিজান ছাড়া বাকি সবাই অ-ন্ধ-ভ-ক্ত হয়ে যায়,
নিকট আত্মীয় স্বজন সবাই ব্যর্থ এর সাথে মেলামেশা বন্দ করতে কিন্তু পারেন না,এমন কি আজ খালার জামাই কা-ন্না-জ-ড়ি-ত কন্ঠে তার কিশোরী মেয়েকে এদের কাছ থেকে নিতে পারছেন না বলে জানান,কথা শুনে না,তিনি মেয়ে ছাড়া বাড়িতে ফিরে গেছেন,কিশোরী মেয়ে মাদ্রাসায় পড়ার কথা বলে কয়েকদিন পরপর পিতাকে ফোন দিয়ে টাকা চায়,চাহিদা মত টাকা না দিলে সকলে মিলে অকথ্য ভাষায় গা-লি-গা-লা-জ করেন,তিনি এখন নিরুপায়, ভিক্টিম মিজানের পিতা নিয়াজুল হক দুবাই প্রবাসী মাসে মাসে দেন ছেলেমেয়েদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার জন্য বড় অংকের টাকা,বিদেশের ঘাম জরানো কষ্টের টাকা,আর এই টাকা দিয়ে চলছে বাসাভাড়া ও র-ঙ্গ-লি-লা কাটমোল্লা এদের কোন আত্মীয় স্বজন না হলে ও রাত্রি যাপন করেন এই বাসায়,বাসাটি ভাড়া নেওয়া কাটমোল্লার নামে বলে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান,ভিক্টিম ছেলে ঘরে থাকা মহিলা ও কিশোরীদের নিয়ে কাটমোল্লার বিষয়ে গু-রু-ত-র অভিযোগ করেছে,
ভিক্টিমের মাদ্রাসা বন্দের পাশাপাশি ঘরে থাকা খালার কিশোরী মেয়েটি কোন মাদ্রাসায় পড়ে কি না এই তথ্য কেউ দিতে পারে নাই,প্রতিবাদ করলে তার উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়,গ্রিলের সাথে গামছা বেধে করা হয় নি-র্যা-ত-ন ও লবণ মরিচের গু-ড়া ছি-টা-নো হয় এতে ভিক্টিমের শরীলে প-চ-ন ধরে দূ-গ-ন্ধ বের হচ্ছে।এছাড়া যখন তখন করতো যৌ-ন নি’পী’ড়’ন,ছেলেটি ভয়ে আ’ত’ঙ্কে দিনযাপন করছিল এবং মানষিক ভাবে ভেঙে পড়েছে
মা বা খালাদের নেই কোন প্রতিবাদ তারা অ-ন্ধ হয়ে গেছে,এমনকি গতকাল কাটমোল্লাকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বারহালের সাবেক ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন চৌধুরীর সহায়তায় উদ্ধার করা হলে মা থানায় হাজির কাটমোল্লাকে বের করতে,তা-জ্জু-ব বনে যান শাহপরান থানার ওসি নিজেও অবশেষে কাটমোল্লা ও মায়ের বিরুদ্ধে করেন থানায় মামলা রেকর্ড,কারাগারে কাটমোল্লা ফয়সাল আহমদ কামরান,বাকিরা এলাকার চাপে কিছুটা আত্মগোপনে,বা নারী হিসেবে এদের সাথে কেউ সাহস করে অ্যাকশন যাচ্ছেন না,বাসায় গেলে ভ-য়-ভী-তি প্রদর্শন ও হু-ম-কি ধা-ম-কি দেয়।
ভিক্টিমের বাবা প্রবাসে রয়েছেন জি-ন্দা-লা-শ কোন কুল রাখবেন,একদিকে সন্তান অন্যদিকে স্ত্রী,তবে,ছেলের নির্যাতনের বিষয় সামনে আসার পর থেকে তিনি ও দু-টানায় পড়ে গেছেন,মিডিয়া ও পুলিশ ও সহায়তাকারী সবাই হতবাক,এসব কি হচ্ছে,শুরুতে বিষয়টি জনসম্মুখে না আনার চেষ্টা করলে ও অবশেষে কাটমোল্লার অপরাধের ফাইল পাহাড় সমান,শুধু তার ভ-ণ্ডা-মি-র জন্য কমপক্ষে ১০/১৫ পরিবার এবং নিকট আত্মীয় স্বজনের মধ্যে ও আ-ঘা-ত আসছে,চোখের সামনে একই পরিবারের কিশোরী মেয়েসহ কয়েকজন এবং ভিক্টিম ছেলের জীবন বরবাদ হয়ে যাচ্ছে,
ভিক্টিম ছেলেটি দাবি করছে,কাটমোল্লা তার মাকে বুঝিয়েছে,তুমার ছেলে মাদ্রাসায় থাকলে শিক্ষকরা ক্ষতি করবে,ও সে বড় হয়ে তুমার কোন উপকারে আসবে না,তাকে কাটমোল্লার কাছে নিয়ে দিতে,যেই কথা সেই কাজ মা ছেলেকে অন্যত্র মাদ্রাসা থেকে বাসায় নিয়ে আবদ্ধ করে রাখে সে কোন মাদ্রাসায় ৯ মাস থেকে লেখাপড়ায় যায়নি,চলছে কাটমোল্লার ম’ধ্য’যু’গী’য় কায়দায় নি’র্যা’ত’ন ও মনোরঞ্জন।বিষয়টি ধরা না পড়লে হয়ত খুব বেশিদিন নয় ছেলেটি লা-শ হয়ে বের হত,বা কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্ম হত।
বাকি সদস্যদের ভাগ্যে কি লেখা ছিল একমাত্র আল্লাহ ভাল জানেন।এই রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে আমি নিজেও হ’ত’ভ’ম্ব হয়ে পড়ি।অবশেষে বরাবরের মত ঝু-কি নিয়ে সাহস করে এগিয়ে আসলাম,অনেক গণমাধ্যম কর্মী ঝামেলা এড়াতে এসব এড়িয়ে যান।
বর্তমানে কাটমোল্লা কারাগারে রয়েছেন,মাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে,ভিক্টিম গ্রামের বাড়িতে ইউপি সদস্য সুমন চৌধুরী ও চাচাদের জিম্মায় রয়েছে,সে তার মায়ের কাছে থাকতে চায় না বা এখন সম্পূর্ণ অনিরাপদ বোধ করছে।ভিক্টিম বন্দিদশা থেকে বের হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।
ভিক্টিম শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদককে বিস্তর অভিযোগ করেন যা মিডিয়ার ভাষায় লিখা ও সম্ভব নয় এবং সেনসেটিভ শুধু পরিশেষে বলছি,এখানে গভীর কোন কিছু লুকিয়ে থাকতে পারে,অনুসন্ধান চলছে,পাশে থাকুন,লেখাটি ভাল লাগলে সচেতনতার জন্য জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করুণ।বিস্তারিত ঘটনার একটি ভিডিও কমেন্টে লিংক দিলাম।