• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
জকিগঞ্জে আ’গু’নে পু’ড়ে ছাই হল অবসরপ্রাপ্ত দুই শিক্ষকের বসতঘর! সিলেটের কিশোরী বিপাশা দে “দিয়া” নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার উদ্বিগ্ন! সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের গাড়ি আটক করে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ০৩ জন সিলেটের জকিগঞ্জে বারহাল গুচ্ছগ্রামে ৫ বছরের শি-শু ধ-র্ষ-ণ চেষ্টার অভিযোগ: থানা পুলিশের অভিযানে দ্রুত আসামী গ্রেফতার! জকিগঞ্জে থানা পুলিশের অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কীভাবে ভিডিও ফাঁস হলো জানালেন জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম আল্লামা দুবাগী ছাহেব কিবলাহ (রহ.) এর ষষ্ঠ বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্ন সিলেটের জকিগঞ্জে থানা পুলিশের অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাজারে শিকল সাইজি বেঁধেও শেষ রক্ষা হলো না মাগুরার চাঞ্চল্যকর মানিক লাল হ-ত্যা মামলার লিটনের ঢাকায় গ্রেফতার!

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদ আহমেদ তানিমের বসত বাড়িতে অগ্নিসংযোগ,হামলা ভাংচুর ও লুটপাট!

Reporter Name / ৩০৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সিলেট মহানগরীর ২৩ নং ওয়াড শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্বাহী সদস্য  তৌহিদ আহমেদ তানিম এর বসতবাড়ি,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মত ঘটনা ঘটে।

পাঁচ আগষ্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনাসহ সরকারেরে মন্ত্রী এমপি অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।অনেকেই নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নেন সেনা ক্যান্টমেন্টে,ছাত্র জনতা ও তৌহিদা জনতার গণপিটুনির শিকার হয়ে অনেক ছাত্রলীগের নেতা মৃত্যুবরণ করেন।অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসতবাড়ি ও আত্মীয় স্বজনের বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামালা ভাংচুর অগ্নিসংযোগের মত ঘটনা ঘটে।

এখন ও নিরাপত্তাহীন ভুগছেন অনেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মী,একাধিক মামলা নিয়ে পালিয়ে রয়েছেন ছাত্রলীগের তৌহিদ আহমেদ তানিম।তাকে পোষ্টার সাঁটিয়ে খুঁজছিল বিক্ষুব্ধ জনতা।হাতের নাগালে পেলে জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। তাকে ধরতে ও পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে।দেশের মাটিতে কোথাও তার দেখা পেলে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা করতে পারে বলে জানা গেছে।

তিনি এখন ও আওয়ামীলীগের একাধিক অনলাইন প্লাটফর্ম ও সিআরআইয়ের সক্রিয় সদস্য হিসেবে বিভিন্ন নাশকতা মূলক কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণের বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। একাধিক অনুসন্ধানে জানা গেছে জীবন বাঁচাতে এখনও তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁকে না পেয়ে কয়েকদফা তৌহিদ আহমেদ তানিম এর বাসায় খুঁজতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা লাঞ্চিত ও মারধরের শিকার হন।

বিগত ৫ আগষ্ট পরবর্তী তিনি জানান,৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশে সরকার উৎখাত করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর বিক্ষোভকারী ও বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা,এনসিপি বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকরা, আমাদের দলের আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে নির্যাতন শুরু করে। আমাদের অনেক সদস্যকে নির্যাতন, অপহরণ ও হ-ত্যা করা হয়।

এই নির্যাতন আগেই শুরু হয়েছিল, ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে যখন আমাদের এক সহকর্মীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়। সেই সময় থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং আমাদের কোনো সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। ছাত্রলীগের সদস্যদের ওপর সহিংসতা বাড়তে থাকে, যার মধ্যে ব্যাপক অপহরণ ও হ-ত্যা-র ঘটনা ঘটে।

২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে আমাদের ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। সব রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং আমাদের বাংলাদেশে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অনুমতি আর থাকে না। এতে আমাদের ওপর আক্রমণগুলো আরো বেপরোয়াভাবে চালানো হয় এবং আমাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৯০,০০০-এরও বেশি নেতা, সমর্থক ও কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে আরও কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায় যেখানে বিচারবহির্ভূত হ-ত্যা-কা-ণ্ড সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে কারাগারে ১১৫ জনেরও বেশি বন্দির মৃ’ত্যু হয়েছে। আটক অবস্থায় মানবাধিকার ও নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বন্দিদের খাদ্য, চিকিৎসা ও মৌলিক প্রয়োজন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং অনেকেই মনে  এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এটি জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত), ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য চরমপন্থী রাজনৈতিক দলের সদস্য ও সমর্থকদের ভয় পাই। আমি বিশ্বাস করি, আমার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্কের কারণে তারা আমাকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

আমি যদি বাংলাদেশে ফিরে যাই, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমাকে গ্রেফতার, আটক এবং গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে।

আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে এবং আমার নামে ইতোমধ্যেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশে আমার পারিবারিক আইনজীবী নিশ্চিত করেছেন যে, আমি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আমাকে গ্রেফতার করবে।

আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, যেমন ফেসবুক মেসেঞ্জার, ইমেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হুমকি পেয়েছি। আমাকে বলা হয়েছে যে, আমাকে খুঁজে ধরতে পারলে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে। এসব হুমকির কারণে আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

আমার পরিবারও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। আমার বাবা, যিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন, বেশ কয়েকটি ব্যবসার মালিক এবং আমাদের দুটি কারখানা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এক ঘটনায় আমাদের এক কর্মচারী গুরুতরভাবে দগ্ধ হন কারণ তিনি পালাতে পারেননি। আমার বাবা বর্তমানে আত্মগোপনে আছেন এবং নিরাপত্তার জন্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরছেন।

আমার আইনজীবী আমাকে বাংলাদেশে না ফেরার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ তার মতে আমি সেখানে গুরুতর নির্যাতন ও বিপদের মুখে পড়ব এবং কোনো সরকারি সুরক্ষা পাব না। এসব কারণে আমি বিশ্বাস করি আমার জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকবে, তাই আমি যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন করেছি।আমি ইতোমধ্যে যা বলেছি তার বাইরে এই মুহূর্তে আমার আর কোনো অতিরিক্ত ভয় নেই। তবে আমি এখনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কাছ থেকে গুরুতর হুমকি পাচ্ছি।

কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে হুমকি দিয়েছে যে, আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে আমাকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করা হবে। অন্যরা বলেছে যে, আমাকে পেলে ডুবিয়ে হ-ত্যা করা হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট কিছু সমর্থক আমাকে চরম সহিংসতার হুমকি দিয়েছে, এমনকি আমার লা;শ নদীতে ফেলে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এই হুমকি প্রদানকারীদের আমি চিনি না। আমি তাদের কখনও সরাসরি দেখিনি, তবে তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বার্তার মাধ্যমে এসব হুমকি দিয়েছে। এসব কারণে আমি বাংলাদেশে ফিরলে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত।আমার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ২০১৭ সালে শুরু হয়, যখন আমি কলেজে ভর্তি হই। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হই।

স্থানীয় দলীয় নেতাদের মাধ্যমে আমি ছাত্ররাজনীতির সাথে পরিচিত হই, বিশেষ করে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাস অনিকের মাধ্যমে। তার নির্দেশনায় আমি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, মিটিং, র‍্যালি ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করি।

২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে একটি বক্তব্য দিই। সেই বক্তব্যে আমি তার রাজনৈতিক আদর্শ, নেতৃত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আলোচনা করি। সেই সময় থেকেই আমি আওয়ামী লীগের আদর্শের প্রতি আরও বেশি অনুগত হয়ে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকি।

২০১৭ সালে সাধারণ সদস্য হিসেবে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে আমার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর নিয়মিত মিটিং, র‍্যালি ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আমি সক্রিয়ভাবে কাজ করি।

২০২২ সালে আমাকে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।২০২৩ সালে আমাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরপর আমি সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (CRI)-এ সিলেট বিভাগের জন্য একজন অর্গানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পাই, যেখানে আমি রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণদের সম্পৃক্তকরণ এবং গবেষণা ও সাংগঠনিক কাজে সহায়তা করি। আমি বর্তমানে এই দায়িত্বে আছি।আমি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে থাকলেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত আছি, মূলত সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (CRI)-এর মাধ্যমে।

CRI বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে যোগাযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং কৌশলগত পরিকল্পনা বজায় রাখতে কাজ করে। এটি নীতিনির্ধারণে সহায়তা করে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও তৃণমূল পর্যায়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।আমি এই টিমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও স্থানীয় এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করি, সাংগঠনিক কৌশলে সহায়তা করি এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে সহায়তা করি।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্য হওয়া মানে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, যুব উন্নয়ন এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা। আমাদের কাজ শিক্ষা, গণতন্ত্র এবং তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।আমরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যায় কাজ করি, যেমন পরীক্ষার ফি, আবাসন ও শিক্ষা সহায়তা। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় রক্তদান, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করি।

আমি একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি—আমার বাবা ও দাদা উভয়েই রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। আমার বাবা কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ছাত্রজীবনে ২৬ মার্চের এক অনুষ্ঠানে আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বক্তব্য দিই। সেখানে উপস্থিত কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা আমার বক্তব্য শুনে প্রশংসা করেন। পরে সজল দাস অনিক আমাকে ছাত্রলীগে যোগদানের সুযোগ দেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে। এর প্রতীক নৌকা এবং তিনটি তারকা শিক্ষা, শান্তি ও অগ্রগতিকে নির্দেশ করে।আমি একজন ছাত্র হিসেবে সমাজে অবদান রাখতে চাই এবং ছাত্রলীগের আদর্শ অনুসরণ করি। আমার পরিবার আমাকে ছোটবেলা থেকেই দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছে।

আমি বিশ্বাস করি দেশকে উন্নত করতে আমাদের সকলের দায়িত্ব আছে। তাই আমি রাজনীতির মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে চাই। ছাত্রলীগের আদর্শ আমার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এটি আমাকে দায়িত্বশীল, শিক্ষিত এবং সমাজসেবামূলক কাজে উৎসাহী করেছে।

৪৩। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে রয়েছেন:
• সভাপতি: সাদ্দাম হোসেন
• সাধারণ সম্পাদক: শেখ ইনান
• কয়েকজন সহ-সভাপতি: জয়, টি. আহসান, রাকিব
• যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইমরান, ফয়সল

বর্তমানে ছাত্রলীগের অনেক সিনিয়র সদস্য বাংলাদেশে নেই। অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন।দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে আমি এবং আমার পরিবার মারাত্মক ঝুঁকিতে আছি।

আমি নিশ্চিত করছি যে উপরের তথ্যগুলো আমার বক্তব্যের সঠিক প্রতিফলন এবং সত্য। এই তথ্যগুলো তোহিদ আহমেদ তানিম জানানোর পর একাধিক সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd