এসবিডিনিউজ : নিজস্ব প্রতিবেদক : হায়রে মানুষ,কেমনে এত নিষ্ঠুর হয়,যার খেয়ে বেঁচে থাকা সামান্য জিনিসের লোভে তাঁকে গৃহকত্রীকে হ*ত্যা করলো পাষাণ্ড মুয়াজ্জিন।
মুয়াজ্জিন মোশাররফ ৩ বছর ধরে নিয়মিত খাবার খান নাজমা আলমের বাসায়। এমনকি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ওই বাসায় তাঁর আসা-যাওয়া ও সুসম্পর্ক ছিল। মাঝেমধ্যে টাকাপয়সাও ধার নিতেন।
টানা ১৮ বছর ধরে নুন-ভাত খেয়ে চলা মুয়াজ্জিন ঘটনার দিন বাসায় একা পেয়ে ঢুকে পড়েন। নাজমা আলম তাঁকে চা-বিস্কুট দেন। যেহেতু দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পরিচয় ছিল, সেহেতু তাঁকে নিয়ে নাজমা আলমের কোনো সন্দেহ ছিল না। মোশাররফ বাসার ভেতর থেকে একটি হাতুড়ি বের করে সেটি দিয়ে নাজমা আলমের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। মুহূর্তেই নাজমা আলম লুটিয়ে পড়েন। তখনও তিনি জীবিত ছিলেন। এরপর তাঁকে সোফার সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে হ*ত্যা করে।
তাঁর হাতে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায় মুয়াজ্জিন মোশাররফ। পরে সেগুলো সন্তোষ নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে।
এরপর হ*ত্যা*র বিচারের দাবিতে যখন মানুষ রাস্তায় নামে, তখন সেখানে মুয়াজ্জিন মোশাররফও জোর গলায় হ-ত্যা-র বিচার দাবি করেন। এমনকি তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন এবং আজানও দিতেন।
পুলিশের নিখুঁত তদন্তে বেরিয়ে আসে এই লোমহর্ষক ঘটনা। ইতোমধ্যে মুয়াজ্জিন মোশাররফ ও সন্তোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জবানবন্দিতে মোশাররফ খু*নে*র কথা স্বীকার করেছেন।
কাকে বিশ্বাস করবেন? বিশ্বাস জিনিসটা কেয়ামতের মতো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে! সতর্ক থাকুন, কাউকে অন্ধবিশ্বাস করবেননা।