নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ – জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯ নং মানিকপুর ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া মরইখাল এখন ময়লার ভাগাড়!
এই খালটি একসময়ে পানি চলাচলের জন্য খুবই জনপ্রিয় ছিল সময়ের ব্যবধানে আজ বিলীন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু দেখার কেউ নেই,প্রাকৃতিক কারণে বছরে ২/১ বার বন্যা আসতো আগেকার সময়।এখন প্রতিবছর বা নিয়মিত আসে না।বিগত দশকের মধ্যে কয়েক বছর বন্যার দেখা মিলছে।বন্যার যেমন কুফল আছে কিছুটা সুফল ও বয়ে আনে,যেমন খাল-বিলে মুক্ত জলাশয়ের মাছ বিচরণ হয়,খেতের জমি পলিমাটি ধারা উর্বর ও নিচু জমি ভরাট হয়।ময়লা আর্বজনা পরিষ্কার হয় ইত্যাদি।
কুফল কমবেশি সবাই অবগত আছি,বর্তমানে সুরমা-কুশিয়ারা নদী সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে,বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়া বা ভারতে খুববেশি বৃষ্টিপাত ও ফারাক্কার চুইসগেইট ছেড়ে সীমার অতিরিক্ত পানি সুরমা-কুশিয়ারায় প্রবাহিত না হলে বন্যার আশঙ্কা থাকবে না।
বিধায় নদী সুরক্ষা বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি কৃষকের কথা বিবেচনা করে আরো কিছু বিকল্প পরিকল্পনা করতে হবে।এরমধ্যে প্রধান দুই নদীর সাথে যুক্ত সকল খালে চুইসগেইট স্থাপন,সচল ও খাল গুলো খনন আর্বজনা পরিষ্কার করতে হবে।নতুবা কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে,কৃষক হলো বাংলাদেশের প্রাণ।আমাদের দেশ হলো কৃষিপ্রধান দেশ।কৃষির উপর নির্ভর করে আমাদের প্রধান জীবিকা।
মরইখাল কালিগঞ্জ বাজাররের ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে কোন নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমত জায়গা দখল করে মরইখালে দোকানপাট নির্মাণ করে এই খালের অতিথ ঐতিহ্য ও জৌলস আজ আর নেই।কতৃপক্ষের গাফিলতি ও স্থানীয় প্রশাসনের অবহেলা অব্যাহত থাকলে একসময় খালটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।
আমি জনস্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন,মাননীয় সংসদ সদস্য,জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,কার ক্ষতি ও কার লাভ হবে এসব বিবেচনা না করে সার্বিক অর্থে ও জীব বৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য ধরে রাখতে জনস্বার্থে সকল বেদখল খাল উদ্ধার,প্রয়োজনীয় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে সবাই সোচ্চার হোন।পোস্ট শেয়ার করুণ।লেখক এটি এম ফয়ছল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।