নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ -চলন্ত বাসে অভিনব কায়দায় দলবেঁধে তরুণীকে ধ-র্ষ-নে-র অভিযোগ
ভুক্তভোগী কল্পনা বলেন শনিবার ঢাকা বাইপাস থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলাম ‘যমুনা এক্সপ্রেস’ বাসে। ওইখানে আমার মামা আমাকে গাড়িতে উঠায় দিছিল। মামা সুপারভাইজারকে বলে দিছিল আমাকে ভালো একটা অটোতে উঠায় দিতে। আমরা আনুমানিক পৌনে আটটার দিকে বকশীগঞ্জ পৌঁছাইছি।
পৌঁছানোর পরে সুপারভাইজার বলতেছে, ‘ভাবি আপনার নামার দরকার নাই, আপনি থাকেন, আমি আপনাকে একটা গাড়ি ঠিক করে দিচ্ছি।’ আমি বললাম, ‘আচ্ছা ঠিক আছে।’ তখন ও বলতেছে, ‘আপনার ছেলেকেও আমার সাথে দেন।’ আমি প্রথমে না বললেও, যেহেতু পূর্ব পরিচিত এবং মামা আগে বলে দিছে, তাই বিশ্বাস করে ছেলেকে ওর সাথে পাঠাইলাম।
ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার পর ৫-৬ জন আমার কাছে আসলো। তারা বলতেছে, ‘আমরা যা বলমু তা যদি না শোনো, তবে তোমার ছেলেকে আর ফিরে পাবা না।’ আমি বললাম, ‘আমার ছেলেকে কোথায় নিছেন? কথা তো এমন ছিল না।’ এরপর তারা ৫-৬ জন মিলে আমার ওপর জোর-জবরদস্তি করে চলন্ত গাড়িতে আমাকে ধর্ষণ করে। আমি অনেক বাঁচার চেষ্টা করছি, চিৎকার করার চেষ্টা করছি, কিন্তু তারা আমার মুখ চেপে ধরে রাখছিল।
আমি শেরপুর জেলা প্রশাসনের কাছে বিচার চাই। আমার সাথে যে নিকৃষ্ট কাজটা হইছে, পরবর্তীতে যাতে এমন কাজ আর কোনো মা-বোনের সাথে না হয়। নিজের এলাকার গাড়িতে উঠেও যদি আমরা নিরাপত্তা না পাই, তবে আমরা কোথায় নিরাপদ? আমি এর একটা সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভুক্তভোগী কল্পনার মামা বলেন সুপারভাইজারকে আমি দায়িত্বটা দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু সে সেই দায়িত্ব পালন না করে, ভাগ্নির সরলতার সুযোগ নিয়ে এবং তার স্টাফদের সাথে নিয়ে এই জঘন্য কাজটা করছে। তারা ছোট বাচ্চাটাকে জিম্মি করে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।