কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ০২(দুই) জন চোর গ্রেফতারঃ
সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন এলাকায় সংঘটিত ধারাবাহিক চুরি মামলার ঘটনায় ০২(দুই) জন আসামী গ্রেফতার। গ্রেফতারকৃতরা হলো- (০১) মুমিন হাসান রাব্বি (২১), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-তারাকান্দা বাজার, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহ; বর্তমান ঠিকানা-শামিমাবাদ, ৩৫নং গলি (কানিশাইল ঈদগাহ সংলগ্ন), থানা-কোতোয়ালী, জেলা-সিলেট এবং (২) আব্দুল মালেক (২৩), পিতা-বারেক মিয়া, সাং-সিংহগ্রাম, ডাকঘর-বোল্লাবাজার, থানা-লাখাই, জেলা-হবিগঞ্জ; বর্তমান ঠিকানা-শেখঘাট (ইকবাল মিয়ার বাসা, ভাঙ্গারির দোকান জিতু মিয়ার পয়েন্ট), থানা-কোতোয়ালী, জেলা-সিলেট।
মামলার বাদী মোঃ শরীফ আহমদ (২৬) এর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায় যে, গত ০৯/০৪/২০২৬খ্রি. হতে বিভিন্ন সময়ে তার গ্যারেজ হতে একটি বাইসাইকেল, ০২টি লোহার হেমার, একটি সিএনজি গাড়ির ব্যাটারি এবং একটি RALEIGH গিয়ার বাইসাইকেল চুরি হয়। এছাড়াও পাশ্ববর্তী রেনেশা-৫৩নং বাসা হতে মোঃ রব্বানী (৩৮) এর একটি ফনিক্স গিয়ার বাইসাইকেল চুরির ঘটনাও ঘটে।
গত ০৯/০৫/২০২৬খ্রি. তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় এজাহারনামীয় আসামী মুমিন হাসান রাব্বি পুনরায় বাদীর গ্যারেজে প্রবেশ করে লোহার পাইপ ও রংয়ের বালতি চুরির চেষ্টা করলে বাদী বিষয়টি টের পেয়ে ডাকচিৎকার করেন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মুমিন হাসান রাব্বি উক্ত চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং সহযোগী হিসেবে আব্দুল মালেকের নাম প্রকাশ করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১০/০৫/২০২৬খ্রি. কোতোয়ালী থানাধীন জিতু মিয়ার পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল মালেকের ভাঙ্গারির দোকান হতে বাদীর চোরাইকৃত সাদা-কালো রংয়ের একটি RALEIGH গিয়ার বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল মালেককে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা একটি সক্রিয় চোর চক্রের সদস্য এবং সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করতো। উদ্ধারকৃত অন্যান্য চোরাই মালামাল শনাক্ত ও চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিদ্বয়‘কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।