নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ : জকিগঞ্জ সিলেট থেকে-সিলেট (০৫) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী আর নে’ই,তিনি কিছুক্ষণ আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।ম*র’হু’মে’র জানাজার নামাজের সময় সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানা গেছে।তিনি বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জামায়াতের প্রার্থী হয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ৯৬ সালের নির্বাচনে মাত্র কয়েক শত ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন।
ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ২৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সালে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের তালবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মাওলানা আবদুল হক চৌধুরী। তিনি সিলেট আলিয়া মাদরাসা থেকে ১৯৫৯ সালে দাখিল, ১৯৬৩ সালে আলিম, ১৯৬৫ সালে ফাজিল, ১৯৬৭ সালে কামিল পাস করেন এবং পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে বিএ পাস করেন এবং একই কলেজে বাংলা অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সিলেট নগরীর মিরাবাজার শাহজালাল জামেয়ার অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি সিলেট নগরীর পাঠানটুলা শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা, মেজরটিলার আল-আমীন জামেয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও জালাালাবাদ ইন্টারন্যাশনাল আলিম মাদ্রাসা এবং সোবহানীঘাটস্থ জালালাবাদ কলেজ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
সিলেটের কানাইঘাটের তালবাড়ী ‘জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুুুুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যবসায়ী হিসেবেও তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তিনি সিলেটের আল-হামরা ইন্টারন্যাশনাল শপিং সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান ও আন-নূর প্রোপ্রাটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান।
ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী সিলেট এমসি কলেজে বিএ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় ছাত্রসংঘের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জামায়াতের প্রার্থী হয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ৯৬ সালের নির্বাচনে মাত্র কয়েক শত ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থির নিকট পরাজিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন নাই।