
পত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে শফিকুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদানপূর্বক সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি লিখিতভাবে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেন। জেলা বিএনপি তাঁর জবাব সন্তোষজনক বিবেচনা করায় তার বিরুদ্ধে জারি করা সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপির অনুমোদনক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ ওঠেছিলো শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে।
তবে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তিনি পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে দাড়িয়েছিল,দলীয় সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে গেলে করা হত অবিশ্বাস ও কৌশলে অপমান এবং শুনতে হত কানে কানে নানা ফিসফিস ও কটুবাক্য,পরে নিরব হয়ে যাই,তাতে ও সমস্যা এরপর বহিষ্কারাদেশ। আমার কিছুই কারার ছিল না,একদিকে তৃনমুল,অন্যদিগে দলীয়ভাবে সর্মথিত প্রার্থী অন্যদিগে দলের দীর্ঘদিনের পরিক্ষিত এক বিদ্রোহী প্রার্থী, আমি কাজ করতে গেলে ও সমস্যা,নিরব হলেও সমস্যা, এটিই ছিল বাস্তবতা
এসবিডিনিউজ বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানতে পেরেছে,লিখত জবাব,দলের দুঃসময়ে ভূমিকা,নির্যাতন,হামলা মামলা ইত্যাদি নানা কারণে দলের বৃহত্তর স্বার্থে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। দলের খুব দুঃসময়ে তিনি জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন শফিকুর রহমান। দলের প্রতি ত্যাগ ও নেতাকর্মীকে আগলে রাখা মূলত এসব বিষয় আমলে নেওয়া হয়েছে। দলের দুঃসময়ে উপজেলার সভাপতির এই পদ নিতে অনেকে আগ্রহী ছিলেন না বলে ও জানা গেছে,কিন্তু তখন দলের পক্ষে তাঁরই এই ত্যাগ তিতিক্ষা দলটির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ বিবেচনায় নিয়েছেন।