এসবিডিনিউজ : নিজস্ব প্রতিবেদক :গৃহকর্মীকে নির্যাতন করে অনেক সম্মানি মানুষ জেল খেটেছেন,ও সমালোচিত হয়েছেন নিশ্চয় এই পুলিশ দম্পতি জানার কথা,কত সুন্দর পরিবার দুজন সরকারি চাকুরী করেন,গৃহকর্মী পছন্দ না হলে পরিবর্তন করে ফেলেন,টাকা থাকলে দেশে কাজের লোকের কি অভাব পড়ছে।
হয়ত উনারা ভুলে গিয়েছিল যে আইনের হাত অনেক লম্বা,এখন ও অপরাধ করলে বিচার হয়,আপনি পুলিশ হোন আর যাই হোন,অপরাধ করে কেউ রেহাই পেয়েছে এমন নজির কম রয়েছে,সাময়িক পার পেয়ে গেলেও মহান আল্লাহর দরবার থেকে বাঁচার উপায় নেই।আর এখন প্রকৃতি আর ও বেশি প্রতিশোধ নিয়ে নেয়।
খুলনার সোনাডাঙ্গায় গৃহকর্মীকে গরম ক*ড়াইয়ের ছ্যাঁ*কা ও শারীরিক নি*র্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তাঁর স্ত্রী এএসআই পপি মিত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহকর্মীর মায়ের দায়ের করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় কর্মরত এএসআই সঞ্জয় কুমার সাহা (বা সঞ্জয় মিত্র) ও তাঁর স্ত্রী এএসআই পপি রানী সাহার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর ও অভিযোগ উঠে।
রান্নার সময় হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়ার মত তুচ্ছ ঘটনায় গৃহকর্ত্রী পপি রানী কিশোরীর ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ সময় গ*র-ম ক*ড়াই দিয়ে তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁ*কা দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানালা দিয়ে এই অমানবিক নির্যাতন দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নি*র্যাতিতাকে উদ্ধার করে এবং দম্পতিকে থানা হেফাজতে নেয়।
মামলা ও বর্তমান অবস্থা- ভুক্তভোগীর মা নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়েটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে