সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রশাসন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে।
এ বিষয়ে আপনাদের মতামত কি?দীর্ঘদিন থেকে এসব বিষয়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো না কেন?কারা লাভবান হচ্ছেন বিভিন্ন প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে?
মাজার কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে দান-খয়রাত ও মান্নতের কোটি কোটি টাকার সুনির্দিষ্ট হিসাব জমা দিতে না পারায় সরকার এই হিসাব চেয়েছে।
হযরত শাহজালাল ও শাহপরান মাজারের হিসাব চাওয়ার পেছনের মূল কারণ ও পদক্ষেপগুলো নিচে দেওয়া হলো-আয়-ব্যয়ের হিসাব তলব-জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সভায় মাজার কর্তৃপক্ষ দৈনিক, মাসিক ও বার্ষিক আয়ের কোনো সুস্পষ্ট হিসাব উপস্থাপন করতে পারেনি,যা নিয়ে বর্তমানে প্রশাসন তদন্ত করছে।
সরকারি প্রকল্পের বকেয়া- মাজারের একটি উন্নয়ন প্রকল্পে সরকার ২৫ কোটি টাকা এবং সিটি করপোরেশন ৩ কোটি টাকা প্রদান করলেও, মাজার কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ৫ কোটি টাকার অংশ থেকে বাকি ২ কোটি টাকা এখনো জমা দেয়নি। এ কারণেই মূলত পরিকল্পনা কমিশন থেকে মাজারের আয়-ব্যয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের নির্দেশনা- সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে মাজারের পরিচালনা পর্ষদকে এখন থেকে সব ধরনের আয়ের স্বচ্ছ হিসাব সংরক্ষণ করতে এবং নিয়মিত প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন ও নিরাপত্তা উন্নয়ন-মাজারকেন্দ্রিক বিশাল আয়ের অর্থ যেন সঠিকভাবে মাজারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা,পার্কিং ও পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির কাজে ব্যয় হয়,প্রশাসন সেদিকেও জোর দিচ্ছে।