নিজস্ব প্রতিবেদক -এসবিডিনিউজ - ডেক্স রিপোর্ট :সিলেট নগরীর সুবিদবাজারের ফাজিলচিশত এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে মাহাদি আনজুম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত ম-র-দে-হ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও বিমানবন্দর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বাসার চতুর্থ তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাহাদি সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসক ডা. রুলী বিনতে রহিমের একমাত্র ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ম-র-দে-হ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া চিরকুটসহ বিভিন্ন আলামত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) দেবাশীষ দাস ও বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান।
তবে এই মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে পরিবারের অতীত একটি ঘটনার কারণে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে মাহাদির বাবা মিসবাহ উদ্দিনের মৃ*ত্যুও এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সে সময় মিসবাহ উদ্দিনের মৃ*ত্যু*কে কেন্দ্র করে তার স্বজনদের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।
এদিকে স্বামীর মৃ*ত্যু*র কয়েক বছর পর একই পরিবারের কিশোর পুত্রের এমন মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকেই ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মৃ*ত্যু*র কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, উদ্ধার হওয়া চিরকুট এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
একটি সম্ভাবনাময় তরুণ জীবনের এমন করুণ পরিণতিতে পরিবার, সহপাঠী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একইসঙ্গে পুরোনো ও নতুন দুই ঘটনার যোগসূত্র নিয়ে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন।