প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২৯, ২০২৬, ৪:৩৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২১, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
১৭ বছরে ও বিচার সম্পূর্ণ হয়নি ১১ নারী ধ’র্ষ’নে’র আসামি সিরিয়াল কিলার ও রেপিস্ট রসু খা’র

- নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ : ডেক্স রিপোর্ট : সিলেটের,ফাহিমা ধ-র্ষ-ন ও হ*ত্যা*র রেশ শেষ না হতেই রাজধানীর মির পল্লবীর রামিসা ধ*র্ষ*ন হ'-ত্যা-র প্রতিবাদে সারা দেশ উত্তাল,দাবি একটাই চাইল্ড রেপিস্ট ও হ*ত্যা*র বিচার চাই, তাও দ্রুততম সময়ে কিন্তু আমরা একটু পেছনে ফিরে যেতে চাই,এবং দেশের প্রচলিত আইনে বিচারের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পর্যালোচনা করতে আসে রসু খা'র কথা।
রসু খাঁ বাংলাদেশের প্রথম নথিভুক্ত সিরিয়াল কি-লা-র (ধারাবাহিক খু*নি), যিনি নারীদের হ*ত্যা*র আগে ধ-র্ষ-ণ করতেন. তিনি মূলত ১৭ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পোশাক শ্রমিকদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে চাঁদপুরে নিয়ে যেতেন এবং পরবর্তীতে তাদের হ-ত্যা করতেন।
প্রাথমিক জীবন: রসু খাঁর প্রকৃত নাম রসু মিয়া, জন্ম চাঁদপুরের সদর উপজেলায়. প্রাথমিক জীবনে তিনি একজন সামান্য চোর ছিলেন.
অপরাধের ধরন: টঙ্গী বা সাভার এলাকার গার্মেন্টস কর্মীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে তিনি তাদের ধ-র্ষ-ণ করতেন. হ*ত্যা*র পর লা*শ নদীতে ফেলে দিতেন বা মাটিতে পুঁতে রাখতেন. তার লক্ষ্য ছিল ১০১ জন নারীকে হ*ত্যা করার পর সিলেটের কোনো মাজারে গিয়ে সাধু হিসেবে বাকি জীবন কাটানো.
গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি: ২০০৯ সালের ২০ জুলাই একটি মসজিদের ফ্যান চুরির অপরাধে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে. পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মোট ১১ জন না*রী*কে হ*ত্যা*র রো-ম-হ-র্ষ-ক স্বীকারোক্তি দেন।
বিচার ও রায়: ২০১৫ ও ২০১৮ সালে চাঁদপুরের আদালত রসু খাঁকে বিভিন্ন হ*ত্যা ও ধ*র্ষ*ণে*র দায়ে মৃ*ত্যু*দ*ণ্ড প্রদান করেন. পরবর্তীতে হাইকোর্ট তার মৃ-ত্যু-দ-ণ্ডে-র রায় বহাল রাখেন।
রসু খাঁ যো*নী*প*থে সিগারেটের ছ্যাঁ*কা দেয়া, স্ত*ন কেটে ফেলাসহ বেশ কিছু অপরাধে ২০০৯ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে ১১ জন না*রী*কে হ*ত্যা*র আগে ধ*র্ষ*ণ করার কথা পুলিশের কাছে ও আদালতে স্বীকার করেছিল।
গ্রেফতারের পর এসব লোমহর্ষক হ*ত্যা*কা*ণ্ডে*র কথা স্বীকার করায় আদালত তাকে মৃ*ত্যু*দ*ণ্ড দেন এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টও সেই মৃ*ত্যু*দ*ণ্ড বহাল রাখেন। তার *মৃতু-দ*ণ্ডে*র আদেশ দেয়া হলেও ২০২৬ সাল পর্যন্ত এখনো তা কার্যকর হয়নি! ১৭ বছর যাবদ জেলে বসে রিলাক্সে জনগনের ট্যাক্সের টাকায় ফ্রিতে খাওয়া দাওয়া, চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে!
আইনি ব্যবস্থা এত জটিল ও সুবিধাবাদী যে, যেই ব্যক্তি আপনার মা, বোন, মেয়েকে ধ*র্ষ*ণ করবে তাকে আপনি আপনার টাকা দিয়ে পালতে বাধ্য! সে জেলে বসে খাবে, ঘুমাবে আর পাশের কয়েদিদের রসিয়ে রসিয়ে আপনার মা, বোন, মেয়ের উপর করা অত্যাচারের বর্ণনা দিবে! আর সেসব কয়েদিরাও কল্পনায় আপনার মা, বোন, মেয়েকে আরেকবার ধ*র্ষ*ণ করবে!রাষ্ট্র আপনার থেকে ট্যাক্স নিবে অথচ ন্যায়বিচার ও সাজা নিশ্চিত করতে পারবে না!
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬