নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ : মা খালার পরিকিয়ার ব'লি শিশু তাহসিন,খেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসার অবস্থা,তাহসিনের নানা বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দা এবার মুখ খুললো,বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য,বছরখানেক আগে তাহসিন এর নানা বাড়িতে এই খাটমোল্লা পরকিয়া করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে।তখন বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভ-ন্ড খাটমোল্লাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়,তখন খোঁজাখোজির এক পর্যায় খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে সবাইকে বলে দেয় তাহসিন,পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে ইউনিয়নে নেওয়া হলে ৭ নং বারঠাকুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহসিন মর্তুজা টিপু মধ্যস্থতায় মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এরপরে তাদের পরকিয়া জিইয়ে রাখতে ও নিরাপদে চালিয়ে যেতে সিলেটে বাসা নিয়ে আসে সেই মা নাসিমা তার অপকর্ম যাতে কেউ সন্দেহ না করে সেজন্য সঙ্গে রাখে তার আরো দুই বোন,বোনের কিশোরী মেয়ে,তার নিজের ছোট মেয়ে,শুরু হয় র'ঙ্গ'লি'লা,মা নাসিমা বেগম ও দুই খালা,খালাতো বোনের মেয়ে,তাহসিন এর ছোট বোন,সবাইকে একই বাসায় রেখে খাটমোল্লা তার কু-চরিত্র হাসিল করে ও মজা লুটে,ভুল পরকিয়া প্রমে হাবুডুবু খেয়ে মা ও খালারা অন্ধ ও গোমরাহ হয়ে যায়।
এর জেরেই প্রতিশোধ মূলক খাটমোল্লা কামরান আহমদ ফয়সাল,কৌশলে তার মাদ্রাসা থেকে ভাগিয়ে নিয়ে আসে,মা নাসিমা আক্তার ও খালার সহায়তা তাহসিনকে অ'মা'ন'বি'ক নি-র্যা-ত-ন করে মোল্লা নামধারী অমানুষ।উদ্যেশ্যে ছিলো নি'র্যা'ত'ন করে তিলে তিলে তাহসিনকে মে-রে ফেলা,পরে লা-শ গুম করে নিখোঁজ নাটক সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা।
রাখে আল্লাহ মারে কে তাদের পাপ হয়ত এতই বেশি হয় গেছে,স্বয়ং আল্লাহ নারাজ হয়ে গেছেন,কারণ নিশ্চয় আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না।সামনে আসে নি'র্যা'ত'নে'র খবর।
এখন কোন অবস্থাতেই মা খালাকে রেহাই দেওয়া যাবে না,এ ন্যা'ক্কা'র'জ'ন'ক ঘটনায় দ্রুত এদেরকে গ্রেফতারের দাবি জানাই।
আওয়াত তুলুন তাহসিন নির্যাতন এর বিচার চাই।করতে হবে,শি-শু নি'র্যা'ত'ন বন্ধ করতে হবে।ঘটনা বেরিয়ে না আসলে ছেলেটিকে ও হয়ত আমরা হারাতাম,নিরপরাধ কাউকে এরা ফাঁসিয়ে দিত।