নিজস্ব প্রতিবেদক : এসবিডিনিউজ : বিশ্বস্ততা থেকে ভিডিও চুরি, সেই ভিডিও দেখিয়ে নিরাপত্তা প্রহরী রাজু হাতিয়ে নেন বড় অঙ্কের টাকা ও শাল্লা সদরে ডিসি খতিয়ানের দুটি বাজার ভিট। এমনকি তখন রাজুকেই মনে হতো এসিল্যান্ড!
হাতিয়ার উপজেলার নির্বাহী অফিসার, তাহিরপুর ও শাল্লার সাবেক সহকারী কমিশনার আলাউদ্দিনের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের একটি অংশ....
শাল্লায় থাকাকালে আলাউদ্দিন জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতে থাকতেন পরিবার ছাড়া। এসময় নিরাপত্তা প্রহরী রাজুর বাসা থেকেই তার খাবার আসতো। এই সুবাদে আলাউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ হন রাজু রায়। ঘনিষ্ঠতার খাতিরে বিভিন্ন সময় আলাউদ্দিনের ব্যক্তিগত ফোনালাপ শুনতে পেতেন তিনি। একদিন কোন এক নারীর সাথে ফোনে কথা বলার সময় আলাউদ্দিন বলেছিলেন "তোমার সব ভিডিও আছে আমার কাছে পেনড্রাইভে"। এ কথা শুনে রাজু সেই পেনড্রাইভ হস্তগত করার ফন্দি আটেন। একদিন সুযোগ পেয়ে পেনড্রাইভটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এবং সেখান থেকে ৮/১০টি ভিডিও নিজের মোবাইলে নেন। ওই সময় পেনড্রাইভ না পেয়ে অফিসে গিয়ে আলাউদ্দিন রাগান্বিত হলে রাজু সেটি গোপনে একটি ড্রয়ারে রেখে দেন এবং পরে সেটি পাওয়া গেছে বলে জানান।
এর কিছুদিন পর থেকেই এসব ভিডিও দেখিয়ে আলাউদ্দিনকে ব্ল্যা'ক'মে'ই'লিং শুরু করেন রাজু।
শাল্লা ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এক পর্যায়ে রাজুকে বড় অঙ্কের টাকা ও শাল্লা সদরে ডিসি খতিয়ানের দুটি বাজার ভিট দেন আলাউদ্দিন। যেন সে ভিডিওগুলো ডিলিট করে দেয়। এদিকে রাজু নিজের মোবাইল থেকে ডিলিটের আগে পাঠিয়ে দেন তার ঘনিষ্ঠ এক সাংবাদিককে। এই সাংবাদিকও আলাউদ্দিনকে ব্লা'ক'মে'ই'ল করে টাকা হাতিয়েছেন বলে শুনেছি আমরা।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাল্লা ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, "তখন রাজুকেই মনে হতো এসিল্যান্ড! আমরা যে কাজ নিয়ে গেলে স্যারে করে দিতেন না সেই একই কাজ রাজু নিয়ে গেলে হয়ে যেত। রাজু যা বলতো স্যার তা করতো। পরে আমরা বুঝতে পারি আসল কাহিনী এসব ভিডিও।"